মাসুম আল ইসলাম, ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে চাকুরী করা এক কর্মচারী কর্তৃক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জনৈকা মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাঙ্গা থানা পুলিশ শনিবার গভীর রাতে একই ভবনে অবস্থিত ছাত্রীটিকে মহিলা মাদ্রাসার পাশে অবস্থিত ধর্ষকের ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে ভবনে বসবাসরত অন্যান্য লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার এবং ধর্ষক মাসুদ করীম মুন্সিকে (২৪) আটক করেছে। এ ব্যাপারে পিতৃহারা এতিম, হতদরিদ্র ও অসহায় মেয়েটির মা আলেকজান বেগম রোববার ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে ও ছাত্রীটি জানান, ভাঙ্গায় একটি ছয়তলা ভবনের নীচতলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র অফিস এবং একই ভবনের ছয় তলায় একটি মহিলা মাদ্রাসা। মাদ্রাসার পাশের ফ্ল্যাটে অফিসে চাকুরী করা লম্পট মাসুদ ভাড়া থাকে। লম্পট মাসুদ গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার সাপদিন গ্রামের মাহফুজার রহমান মুন্সির ছেলে। পাশাপাশি থাকার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে উঠে। সুযোগ সন্ধানী লম্পট ও দুশ্চরিত্রবান মাসুদ সুন্দরী কিন্তু, হতদরিদ্র ও এতিম মেয়েটিকে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। শনিবার রাত একটার দিকে মেয়েটি বাসার বাইরের করিডোরে বের হলে মাসুদ তাকে জোর করে তার কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। প্রায় দুই ঘন্টা পর অন্যান্য ছাত্রীরা টের পেয়ে মাদ্রাসার মালিক ও বাসার অন্যান্য লোকজনকে খবর দেয়। লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশে খবর দেয়।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেরাজ হোসেন জানান, শনিবার রাত তিনটায় খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষকের কক্ষ থেকে উদ্ধার এবং ধর্ষক মাসুদকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে ছাত্রীটির মা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। রোববার ধর্ষক মাসুদকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।