শাওন আহমেদ বাবু : নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আজকের ঘটনা :
নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন পাঠানটুলী পশ্চীম আইলপাড়া এলাকায় ২১জুন আনুমানিক রাএ বারটার সময় মাদ্রাসার জানালার গ্রীল ও টিন কেটে ডুকে অনেক মালামাল ও নগদটাকা চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরনে মাদ্রাসার পরিচালক মোঃ আসাদুল্লার সাথে কথা বলে যানা যায় যে, এই মাদ্রাসাটি ২০১২ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ শতাংস জমির উপর।মোতয়ালী হিসেবে রয়েছেন হাজীগঞ্জ বাসিন্দা মৃতঃ তোয়াজউদ্দীন মাদবর এর ছোট ছেলে হাজী বজলুর রহমান স্বপন। হেফজুল কোরআন ও মকতব বিভাগ এ দু বিভাগে লেখাপড়া শিখানো হয় এখানে।বর্তমানে মোট ছাএের সংখ্যা প্রায় ২০০জন। ছাএাবাসে থাকেন ২০/২৫ জন বাকিরা এসে যেয়ে ক্লাস করেন।মোট শ্নেনী কক্ষ রয়েছেন ৫টি। ছাএদের বেতন ও দানবীরদের অনুদানে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদ্রসাটি সুনামের সহিত পাঠ্যদান করে আসেতেছিল।পবিএ ঈদ উল ফিতরের জন্য ঈদের ২দিন আগে মাদ্রাসাটি বন্ধ ঘোষনা করা হয় এবং ২৩ জুন যথারিতি ক্লাশ চালু হবার কথা।গতকাল রাত আনুমানিক বারটার সময় আমি সহ আমার সাথে এলাকার পরিচিত কজন লোকজনকে নিয়ে মাদ্রাসায় আসি খেয়াল করার জন্য।এসে দেখি রুমে আলো জ্বলছে তখনই আমাদের সন্দেহ হয় এবং দূত আমরা প্রবেশ করি। আমাদের অবস্হান টেরপেয়ে চোরেরদল রুম থেকে বেড়িয়ে পালানোর চেস্টা করে। তাদের মধ্য থেকে একজনকে আমরা ধরে ফেলি। চোরদের মধ্য থেকে কয়েকজন হাতে থাকা ধারালো অস্রদিয়ে আমারলোকদের আঘাত করে ধরে ফেলা চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।তাদের আঘাতে আমার লোক রোকনের মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়।চোরদের নাম না জানলেও অনেকের চেহারা পরিচিত আমাদের কাছে। তারা সবাই হাজীগঞ্জ বাস্তহারা বর্তমানে আদর্শ কল্যান কলনীর ছেলেপেলে। তারা পালিয়ে যাওয়ার পর আমরা ক্লাস কক্ষে গিয়ে দেখি ছাএদের প্রতেকের রেখে যাওয়া ট্রাং এর তালা ভেঙ্গেছে, ফ্যান,কম্বল ও আমাদের অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি কম্পিউটার ও আয়রন নিয়ে গেছে এবং নগদকিছুটাকা।
ঘটনার বিবরনে আমি সিদ্ধিরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগের তদন্তে এস আই আমিনুল ইসলাম সরেজমিন তদন্ত করে রিপোট নিয়ে যান। এ ব্যাপারে দ্রুত মামলা হয়ে আসামী গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্হা নিবেন ওচুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করবেন বলে আস্বাস দেন।