মাসুম আল ইসলাম, ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:- ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যুবকের বিরুদ্ধে পতিতার ধর্ষণ মামলায় ফায়দা লুটার অভিযোগ উঠেছে। মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে উপজেলার শরিফাবাদ গ্রামের মৃত শাহিন শেখের মেয়ে শম্পা (১৬) একই উপজেলার পৌর সভার হেলীপ্যাড এলাকার মো: হাচানের ছেলে মো: রানার (২৫) বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এ বিষয়ে ধর্ষিতাকে স্বাস্থ্য পরিক্ষা করে সেইভ হোমে প্রেরণ করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ী বলেন, ও (শম্পা) আগে থেকেই পতিতাবৃত্তি করে থাকে, অনেক বাসায় ঝি এর কাজ করছে, চারিত্রিক স্বভাবের জন্য বেশী দিন এক বাসায় থাকতে পারে না। দিনের বেলায় ঝি এর কাজ করে আর রাতে ভাড়ায় পতিতাবৃত্তি করে আর না হলে হাসপাতালের মধ্যেই ঘুমায়। ঘটনার দিন (২২ মে) রাত ৮ টা ৪৫ মিনিটে কয়েকজন বখাটে ছেলে আমার দোকানের পিছে এসে ওর মোবাইল নাম্বার নেয় আর চারশ টাকায় ওরে (শম্পা) ভাড়া করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই হাবিব বলেন, খবর পেয়ে ২২ মে দিবাগত রাত ১ টা ৩০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন স্থানীয় যুবকদের কাছ থেকে শম্পাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়। পরে শম্পার ভাষ্য অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। এ বিষয়ে ধর্ষিতার মা বলেন, আমার কারোর প্রতি কোন অভিযোগ নেই। এ বিষয়ে আসামীর পিতা বলেন, আমার সঙ্গে শত্রুতা করে একটি কুচক্রী মহল ফায়দা লুটার উদ্দেশ্যে মেয়েটিকে ব্যবহার করে ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের মামলা করেছে। আমি এর তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্যে জোর দাবী জানাচ্ছি। মামলাটির বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজী রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা জানতে পেরেছি মেয়েটি বিভিন্ন সময়ে পতিতাবৃত্তি করে থাকে। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীকে আইনের আওতায় আনা হবে। নির্দোষ কেউ যেন হয়রানীর শিকার না হয় এব্যাপারে আমরা সজাগ থাকব।