SAMSUNG CAMERA PICTURES
Spread the love
image_pdfimage_print

সোহেল খান : বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী প্রতিনিধি : আজকের ঘটনা :

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে এ বছরও ১৪৬টি মন্দিরে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে চলছে রং, তুলির কাজ। পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষনিক নজরে রাখছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিতে। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও দেশের সর্ববৃহৎ রামায়ন, মহাভারত, শিবপুরান ও পৌরানিক কাহিনী অবলম্বনে জামালপুর ইউনিয়নের গ্রাম জামালপুর গ্রামে শারদীয় দুর্গা পূজার আয়োজন করা হয়েছে।
জানাগেছে, উপজেলার নারুয়া, জঙ্গল, জামালপুর, নবাবপুর, বহরপুর, বালিয়াকান্দি, ইসলামপুর ইউনিয়নে এবছর ১৪৬টি মন্দিরে দূর্গা পুজার আয়োজন চলছে। মন্দিরে মন্দিরে চলছে রং, তুলির কাজের পাশাপাশি সৌন্দর্য্য বর্ধনসহ নানা ধরনের সাজসজ্জার কাজ। শনিবার বহরপুর, ইসলামপুর, নবাবপুর, নারুয়া ও জঙ্গল ইউনিয়নের পূজা মন্দির গুলো পরিদর্শন করেছেন, বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ হাসিনা বেগম, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম, এস,আই অঙ্কুর ভট্রাচার্য্যসহ পুলিশ সদস্যরা।
গ্রাম জামালপুর শারদীয় দুর্গা মন্দিরের সাধারন সম্পাদক গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ বছরও রামায়ন, মহাভারত, শিবপুরান ও পৌরানিক কাহিনী অবলম্বনে প্রায় আড়াই শতাধিক দেব-দেবীর মুর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রতি বছরই দর্শনার্থীদের জন্য একটু ব্যাতিক্রম আয়োজন করা হয়। এবারও ব্যাতিক্রম আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ সব সময় খোঁজখবর নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি দেখতে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, থানার অফিসার ইনচার্জ হাসিনা বেগমসহ খোঁজখবর ও পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাম গোপাল চ্যাটার্জী জানান, বালিয়াকান্দির গ্রাম জামালপুর দুর্গা মন্দিরে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ব্যাতিক্রম আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থী ও পুজারীদের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন। এবছর এ মন্দিরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ বছর উপজেলাতে ১৪৬টি দুর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ হাসিনা বেগম জানান, পূজা মন্দির গুলোতে কঠোর নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ সার্বক্ষনিক কাজ করছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ইউনিয়নের মন্দির পরিদর্শন করা হয়েছে। মন্দির গুলোতে পুলিশ, আনসার বাহিনীর পাশাপাশি সেচ্ছাবেক নিয়োজিত থাকবে।