Spread the love
image_pdfimage_print

সোহেল খান : বালিয়াকান্দি রাজবাড়ী প্রতিনিধি : আজকের ঘটনা :

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে পশু হাট গুলোতে গরু-ছাগলের আমদানী চোঁখে পড়ার মতো। ভালো দাম পেলেও হাটে জায়গা না পেয়ে অনেকেই বাড়ীতে ফেরত নিতে বাধ্য হচ্ছে। কোরবানীর ঈদ যতোই ঘনিয়ে আসছে পশুহাট গুলোতে উপচে পড়া ভীড় বাড়ছে।
এবছর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর, বালিয়াকান্দি, তেঁতুলিয়া, বহরপুর, রামদিয়া, সোনাপুর, বেরুলী, শালমারা গরু হাট বসছে। বিক্রেতা ও ক্রেতাদের কষ্ট কম হচ্ছে।
রবিবার বালিয়াকান্দি পশু হাটে গিয়ে দেখাযায়, শত শত গরু ছাগল এসেছে। দামও ভালো। তবে বৃষ্টির কারণে ক্রেতাদের উপস্থিতি একটু কম। অনেকেই জায়গা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে বাড়ীতে। শনিবার নবাবপুর ইউনিয়নের বেরুলী হাটে বিপুল সংখ্যক গরু-ছাগল আমদানী হয়। আশানুরুপ দাম না পেয়ে গরু-ছাগল পালনকারীরা ফিরে নিয়ে যায়। তারপরও প্রায় ৩শতাধিক পশু বিক্রি হয় ওই হাটে। স্বল্প সময়ে বেশি লাভ করার আশায় জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে গরু মোটাতাজাকরণ কার্যক্রম। অনেকেই বাপ-দাদার আমল থেকে, আবার কেউ কেউ শখের বসে এবং অনেকের জীবিকার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাড়িয়েছে গরুর খামার গড়ে তোলা। ক্ষতিকারণ ইনজেকশন বা ট্যাবলেট প্রয়োগ না করেই সম্পুর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে এ জেলাতে গরু মোটাতাজাকরণ হয় বলে এ গরুর চাহিদা দেশজুড়ে। তবে এ অঞ্চলের অনেক খামারী দাম ভালো পাওয়ায় গরু পালন করে ঈদের আগেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।
কয়েকজন খামারী জানান, এবার কোরবানীর জন্য তাদের খামারে গরু প্রস্তুত করেছেন। বাজারে বিক্রি করতে গেলে অনেক দাম কম বলে। খামার থেকেই গরু বিক্রি করা যাচ্ছে।
বেরুলী গ্রামের মজিদ মোল্যা জানান, অন্যান্যে বছর যে গরুর দাম হতো ১লাখ ৪০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা, সে রকমের একটি গরু ১লাখ থেকে ১লাখ ১০হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় বন্যার কারণে ক্রেতা ও ব্যাপারীর সংখ্যা অনেক কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
গরু ব্যবসায়ী মোক্তার মন্ডল, আঃ সাত্তার, মোন্তাজ আলী ও রাশেদ ইসলাম জানান, ঢাকা ও চট্রগ্রাম থেকে বড় বড় ব্যাপারী এ বছর এখনো গরু ক্রয় করতে আসছে না। রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন এলাকার হাটে গরু আমদানী বেশি হলেও দুর-দুরান্ত থেকে ক্রেতা না আসার কারণে বেচাকেনা কম হচ্ছে।
বেরুলী বাজারের সভাপতি মাহফুজুর রহমান জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পর ঈদ। বর্তমানে হাটে অনেক গরু আমদানী হলেও ক্রেতা ও পাইকারী ব্যাপারীর সংখ্যা কম আসায় বিক্রিও কম হচ্ছে। স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়েও গরু আমদানী বেশি হচ্ছে।